Abul hayat, আবুল হায়াত
বাংলাদেশের প্রবীণ নাট্য শিল্পীদের মধ্যে অন্যরকম গুনি একজন অভিনেতা হলেন আবুল হায়াত। ১৯৬৯ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এই প্রবীণ শিল্পী অভিনয় জগতে অবাধে বিচরণ করছেন। জনপ্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদ রচিত প্রচুর নাটকে তিনি অংশ নিয়েছেন। “মিসির আলি” তার একটি স্মরণীয় চরিত্র।

জন্মঃ আবুল হায়াত জন্মগ্রহন করেন ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৪ সালে, তৎকালীন পশ্চিম বাংলার (বর্তমান ভারত) মুর্শিদাবাদ এলাকায়।

কর্ম জীবনঃ আবুল হায়াত তার অভিনয় জীবন শুরু করেন ১৯৬৯ সালে এবং তার প্রথম অভিনীত টেলিভিশন নাটক ছিল “ইডিপাস”। তিনি এই পর্যন্ত প্রায় পাঁচশতেরও বেশি টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেছেন। তিনি একজন ঔপন্যাসিকও ছিলেন। তার প্রথম উপন্যাসটি বের হয় ১৯৯১ সালের বই মেলায়। উপন্যাসটির নাম ছিল আপ্লুত মরু। এরই ধারাবাহিকতায় একে একে বের হয় নির্ঝর সন্নিকট, এসো নীপো বনে (দুই খ-), অচেনা তারা, জীবন খাতার ফুট নোট (দুই খ-) ও জিম্মি। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি মাঝে মাঝে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কলাম লিখে থাকেন। প্রথম আলোতে তাঁর কলামের নাম “এসো নীপবনে”।

পারিবারিক জীবনঃ আবুল হায়াতের বাবা আব্দুস সালাম ছিলেন চট্টগ্রাম রেলওয়ে ওয়াজিউল্লাহ ইন্সটিটিউটের সাধারন সম্পাদক। স্কুল জীবন কাটে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট ও রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে মেটৃকুলেশন (বর্তমান এসএসসি) পাস করে চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন। চট্টগ্রাম কলেজ থেকে আইএসসি পাস করে ১৯৬২ সালে বুয়েটে ভর্তি হন। বুয়েটে পড়ার সময়ই শেরেবাংলা হলে থাকতেন। এরপর বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট থেকে ১৯৬৭ সালে পাস করে ১৯৬৮ সালেই ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী পদে যোগ দেন। ১৯৭০ সালে আবুল হায়াতের সঙ্গে বিয়ে হয় মেজ বোনের ননদ মাহফুজা খাতুন শিরিনের সঙ্গে। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ যুদ্ধ শুরু হওয়ার জন্ম নেয় প্রথম সন্তান বিপাশা হায়াত। ছয় বছর পর জন্ম নেয় নাতাশা হায়াত।

অভিনীত সিনেমাঃ
১। থার্ড পার্সোন সিংগুলার নাম্বার (২০০৯)
২। দারুচিনি দ্বীপ (২০০৭)
৩। জয়যাত্রা (২০০৪)
৪। আগুনের পরশমণি (১৯৯৫)
 
Top